আরিফুল হক আরমান বিশাল শেরপুর সংবাদ দাতা:: গ্রীষ্মের প্রচন্ড খরতাপে পুড়ছে শেরপুর অঞ্চল। ফলে খরায় খাল-বিল জলাশয় পানিশূন্য হওয়ায় শেরপুর অঞ্চলে দেশীয় মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। শ্রীবরদী উপজেলায় চাহিদার তুলনায় মাছের উৎপাদন কম থাকায় দেশীয় মাছের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে হাট-বাজারগুলোয়।
শ্রীবরদী পৌরসভার বাসিন্দা এ, এস, এম সারোয়ার হোসেন আশিক বলেন , সামান্য কিছু দেশীয় মাছ বাজারে উঠলেও দাম আকাশচুম্বী। ফলে দরিদ্র ও অনেক মধ্যবিত্তদের মাছের চিন্তা যেন আকাশ কুসুম কল্পনা হয়ে উঠেছে! জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়েই চলেছে মাছের চাহিদা। কিন্তু সে অনুযায়ী মাছ উৎপাদন হচ্ছেনা। মাছ উৎপাদনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকা সত্বেও মাছের উৎপাদন কম হচ্ছে ক্রমাগত নদী নালা খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ায়।
ফলে চাহিদার তুলনায় মাছের উৎপাদন কম হওয়ায় হাট-বাজারগুলোয় মাছের দাম বেড়েই চলছে’ মাছ কেনা নিম্নবিত্ত পরিবারের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
শ্রীবরদী বাজার মাছ ব্যবসায়ী মঞ্জু জানান, এক কালের মাছের জেলা শেরপুরে চলছে তীব্র মাছের আকাল। অথচ দিন দিন মানুষের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে মাছের চাহিদা বেড়েই চলেছে। এ জেলায় মানুষের চাহিদা অনুসারে দেশীয় মাছ মিলছে না। ভরসা এখন শুধুই চাষের মাছ।
শ্রীবরদী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সাইফুর রহমান সুরমা সিলেট কে বলেন, আধুনিক ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিয়ে মৎস্যজীবীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বাড়াতে নদী- নালা খাল বিলে মাছ উৎপাদনে পোনা অবমুক্ত করাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে মৎস্য বিভাগ। এতে মাছের উৎপাদন দ্বিগুন বাড়বে বলে দাবী এ মৎস্য কর্মকর্তার।
সংবাদ টি শেয়ার করুন।


















