ওসমানীনগর প্রতিনিধি:: বাংলাদেশ একটি বহু ধর্ম ও বহু সংস্কৃতির দেশ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য,সিলেট-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সিলেট জেলার নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান। তিনি বলেন, এই দেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ যুগ যুগ ধরে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ধর্মীয় সম্প্রীতি। কোনো সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহবান জানান তিনি। শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকাল ২টায় সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজারে ওসমানীনগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত সনাতনী ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় ও প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক হান্নান আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম এখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও অগ্রগতি আসুক।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর রেজওয়ানুর রহমান শাহীন এবং পরিচালনা করেন উসমানপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী সৈয়দ নুরুল ইসলাম শাহজাহান।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী আনহার আহমদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জাহেদুর রহমান চৌধুরী, বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন সিদ্দিকী এবং ওসমানীনগর ইসলামিক একাডেমির প্রিন্সিপাল মাওলানা সাদিক সিকান্দার।
এছাড়া স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সত্যন্দ্র কুমার দেব, ওসমানীনগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চয়ন পাল, শিক্ষক নেতা মনোজ দাস পুরকায়স্থ, ইসকন ওসমানীনগরের পরিচালক সখা মধু মঙ্গল দাস ব্রম্মচারী, যুব মহাজোটের সভাপতি শক্তি দেব সঞ্জয়, ছাত্রযুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি পাপ্পু বহ্নি, সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত দেব শিমুল, প্রভাত দেব, সন্ধানী প্রতিনিধি অশোক কুমার দেব, বনিক সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক নেফুর গুন ও ডা. সুবোধ দেব প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সমাবেশকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ওসমানীনগর সবসময় ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে, যা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।
সমাবেশে উপজেলার বিভিন্ন মন্দির,মঠ,পূজা উদযাপন কমিটি ও সনাতনী নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সংবাদ টি শেয়ার করুন।


















