শনিবার , ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আজব বিশ্ব
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খুলনা
  5. খেলাধুলা
  6. চট্টগ্রাম
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবন থেকে নেওয়া
  10. ঢাকা
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. প্রবাসীর গল্প
  13. ফিচার
  14. ফ্রিল্যান্সিং
  15. বরিশাল

ওসমানীনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ঈদ উপহার ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান

প্রতিবেদক
moloysylsurma
এপ্রিল ১৩, ২০২৪ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

হারুন রশিদ,ওসমানীনগর উপজেলা প্রতিনিধি:

সিলেটের ওসমানীনগরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী বিতরণ সহ ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(শনিবার)১৩ এপ্রিল বিকাল ৩ টায় উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিয়ামে, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমদ (ভিপি)র’ সভাপতিত্বে ও ভাইস চেয়ারম্যান আনা মিয়া,র’ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ জাকারিয়া আহমদ, গীতা পাঠ করেন ডাক্তার নিরঞ্জন ধর,

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আফতাব আহমদ, আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দাল মিয়া, গোয়ালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন মিয়া, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহানারা বেগম, গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পীর মজনু মিয়া, উমরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া, তাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অরুনোদয় পাল ঝলক,উছমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওয়ালী উল্লাহ বদরুল, মুক্তিযোদ্ধা সোনাহর আহমদ, পবিত্র মজুমদার, ওসমানীনগর উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ ফয়ছল আহমদ, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নুর মিয়া,যুবলীগ নেতা কিবরিয়া মিয়া, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জুবায়ের আহমদ শাহিন, জাহিদুল আম্বিয়া কার্জন,উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জুবায়ের আমীন,ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্য সহ রাজনৈতিক সামাজিক ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।

এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যরা বলেন,আমদেরকে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় দিবসে এবং উৎসবে যেমন স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, পবিত্র ঈদে, এবং বাংলা নববর্ষে, স্মরণ করায় আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

এসময় বক্তারা বলেন মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে যারা ছিল তাদের অনেকের বংশধররা আজও বুক ফুলিয়ে গলাবাজি করে বেড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইলে গলায় টিপ দিয়ে ধরতে চায়।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমদ (ভিপি) বলেন আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান আমার আজও মনে পড়ে সেই নির্মমতা।১৯৭১ এর যুদ্ধের সেই ভয়ংকর  দিনে আমরা নিজের বাড়ী ছেড়ে বনে জঙ্গলে দুর দুরান্তে মানুষের বাড়ী বাড়ী আশ্রয় নিয়ে কোন রকম প্রাণ রক্ষা করেছি, এর একমাত্র কারন ছিল আমার বাবাকে রাজাকাররা প্রস্তাব দিয়েছিলো শান্তি কমিটিতে যাওয়ার জন্য আমার বাবা সেটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন আমার ভাই কবির উদ্দিন,ও কামাল আহমদ কনা, বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করায়, আমার পরিবারের প্রতি শুরু হলো ধ্বংস করার পায়তারা। বাবা ছিলেন পাকিস্তান আমলের চেয়ারম্যান সেই সময় বঙ্গবন্ধুকে বুকে লালন করতেন বাবার উপর গুলির আদেশ দেওয়া হলো এতো কিছুর পর ও আমরা প্রাণে বেঁচে যাই।আমার ভাইয়েরা সহ সেই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আজও এ বাংলার বুকে প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত