ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা ২নং সেলবরষ ইউনিয়নের গাবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৮ম শ্রেণী পরীক্ষার ফি ও রেজিস্ট্রেশন বাবদ বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বাড়তি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, যে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় তা সম্পূর্ণ প্রধান শিক্ষকের পকেটে পড়ে। বিদ্যালয়ের উন্নয়নে টাকা বরাদ্দ আসলে সে টাকায় কাজ না করে প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেন। ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ভালোভাবে পড়ানো হয়না বলে অবিভাবকদের।অভিযোগ শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিরুদ্বে।বর্তমানে সাত জন শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও পাঁচ জনই গাবী গ্রামের হওয়ায় অনিয়মের কথা বলতে চায়না অনেকেই, যেন দেখেও না দেখার মত অবস্থা।
জানা যায় সরকারি মতে, উক্ত বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণী রেজিস্ট্রি ফি বাবদ ১২৫ টাকা উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ টাকা রেজিস্ট্রি বাবদ ও ৪০০ টাকা পরীক্ষার ফি বাবদ মোট ৮০০শত টাকা প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্বে অভিযোগ পাওয়া যায়।
বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা আশপাশের আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ের সঙ্গে মিলেমিশেই এই ফি নির্ধারণ করে থাকি। আমাদের কোন সরকারি বরাদ্দ না দেয়ার কারণে আমরা বাড়তি টাকা নিচ্ছি। গত ২১-২২ বছরে পর্যায়ক্রমে ১১টি বৈদ্যুতিক পাখা চুরি হয় বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের না জানিয়ে গোপন রাখা হয়।যা প্রকাশ হয় ২১মে ২০২৪ উপজেলা নির্বাচনের সময়।যার ভুক্তভোগী হচ্ছে কোমলমতি ছাত্র ছাত্রী। প্রচন্ড গরম সহ্যকরতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। মন গড়া নিয়মে
যে যার মত করেই দ্বায়িত্ব পালন করছে।যেন দেখার কেউ নেই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে মোটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি বিষয়টা দেখবো ও ব্যবস্থ নেব।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বলেন, আমি বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।১৯০৮সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক পাঠদান শুরু হয় বিদ্যালয়টিতে। ২০১৩ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পাঠদান শুরু হয়। শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীতে ২০৭ জন ও ৬ষ্ট শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণীতে ১০৬ জন ছাত্র ছাত্রী নিয়ে বিদ্যালয়টির কাজ চলমান।


















