বৃহস্পতিবার , ২০ জুন ২০২৪ | ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. আজব বিশ্ব
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খুলনা
  5. খেলাধুলা
  6. চট্টগ্রাম
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবন থেকে নেওয়া
  10. ঢাকা
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. প্রবাসীর গল্প
  13. ফিচার
  14. ফ্রিল্যান্সিং
  15. বরিশাল

ধর্মপাশায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদক
moloysylsurma
জুন ২০, ২০২৪ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা ২নং সেলবরষ ইউনিয়নের গাবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৮ম শ্রেণী পরীক্ষার ফি ও রেজিস্ট্রেশন বাবদ বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বাড়তি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, যে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় তা সম্পূর্ণ প্রধান শিক্ষকের পকেটে পড়ে। বিদ্যালয়ের উন্নয়নে টাকা বরাদ্দ আসলে সে টাকায় কাজ না করে প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেন। ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ভালোভাবে পড়ানো হয়না বলে অবিভাবকদের।অভিযোগ শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিরুদ্বে।বর্তমানে সাত জন শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও পাঁচ জনই গাবী গ্রামের হওয়ায় অনিয়মের কথা বলতে চায়না অনেকেই, যেন দেখেও না দেখার মত অবস্থা।

জানা যায় সরকারি মতে, উক্ত বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণী রেজিস্ট্রি ফি বাবদ ১২৫ টাকা উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ টাকা রেজিস্ট্রি বাবদ ও ৪০০ টাকা পরীক্ষার ফি বাবদ মোট ৮০০শত টাকা প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্বে অভিযোগ পাওয়া যায়।

বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা আশপাশের আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ের সঙ্গে মিলেমিশেই এই ফি নির্ধারণ করে থাকি। আমাদের কোন সরকারি বরাদ্দ না দেয়ার কারণে আমরা বাড়তি টাকা নিচ্ছি। গত ২১-২২ বছরে পর্যায়ক্রমে ১১টি বৈদ্যুতিক পাখা চুরি হয় বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের না জানিয়ে গোপন রাখা হয়।যা প্রকাশ হয় ২১মে ২০২৪ উপজেলা নির্বাচনের সময়।যার ভুক্তভোগী হচ্ছে কোমলমতি ছাত্র ছাত্রী। প্রচন্ড গরম সহ্যকরতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। মন গড়া নিয়মে
যে যার মত করেই দ্বায়িত্ব পালন করছে।যেন দেখার কেউ নেই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে মোটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি বিষয়টা দেখবো ও ব্যবস্থ নেব।

এ বিষয়ে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বলেন, আমি বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।১৯০৮সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক পাঠদান শুরু হয় বিদ্যালয়টিতে। ২০১৩ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পাঠদান শুরু হয়। শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীতে ২০৭ জন ও ৬ষ্ট শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণীতে ১০৬ জন ছাত্র ছাত্রী নিয়ে বিদ্যালয়টির কাজ চলমান।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

ওসমানীনগরে প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী‘র পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ

ভারতকে ‘অসহযোগী’ দেশ ঘোষণা করলো যুক্তরাষ্ট্র

ওসমানীনগরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা খতমে কুরআন নাত মাহফিল অনুষ্ঠিত

ওসমানীনগরে সততা ইসলামী যুব সংঘের নির্মাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান

ওসমানীনগরে জাতীয় শিশু দিবস পালিত

ওসমানীনগরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

ওসমানীনগরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

বালাগঞ্জে বণিক সমিতির কমিটি গঠন

ওসমানীনগরে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

তিথি সংকটের কারণে চারদিনে শেষ হচ্ছে দুর্গাপূজা