ওসমানীনগর প্রতিনিধি:: সিলেটের ওসমানীনগরে “সড়কে ঝরলো বাবা-মেয়ের প্রাণ, চালকের শাস্তির দাবিতে উত্তাল ওসমানীনগর” এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির গভীর শোক প্রকাশ করছেন।
রবিবার (২ নভেম্বর) এক শোকবার্তায় হুমায়ুন কবির বলেন,ওসমানীনগরে পিতা ও নিষ্পাপ কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের হৃদয় বিদীর্ণ করেছে। এটি কেবল একটি দুর্ঘটনা নয় এটি অব্যবস্থাপনা, বেপরোয়া গতির সংস্কৃতি ও দায়হীন চালকদের ফলাফল।
তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেন,
জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক ব্যবস্খায় আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। দোষী চালক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও বেপরোয়া আচরণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বাস কোম্পানির জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি ক্ষুব্ধ জনতাকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রতিবাদ হোক সচেতনতার, সহিংসতার নয়। যেন আর কোনো পরিবার এভাবে শোকের আগুনে না পুড়ে।
গতকাল রোববার (২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার গোয়ালাবাজার এলাকায় স্থানীয় জনতার ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে সিলেট–ঢাকা মহাসড়ক কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এলাকাবাসী ‘হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস’ চালকের শস্তির দাবি জানালেও, সেনাবাহীনি-পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
উল্লেখ্য, শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট–ঢাকা মহাসড়কের দয়ামীর এলাকায় ‘হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান উমরপুর ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের হারুন মিয়া (৩১) ও তার আট বছরের কন্যা আনিসা বেগম।
এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সংবাদ টি শেয়ার করুন।


















