মলয় চক্রবর্তী,(ওসমানীনগর) সিলেট:: প্রাথমিক বিদ্যালয়েই স্বপ্ন বুনচে শিক্ষার্থীরা,কেউ হতে চায় পুলিশ কেউ হতে চায় ডাক্তার কেউ হতে চায় পাইলট কেউবা আবার প্রধানমন্ত্রী। বাড়ি গিয়ে নয় আনন্দ আয়োজনে পড়ালেখা চলছে বিদ্যালয়ের ভেতরেই।প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দিয়ে বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে উজ্জীবিত করে শেখানো হয় শিক্ষার্থীদের।প্রাথমিক স্তরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত বেশ কিছু উদ্যোগের কারণে অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতোই ব্যতিক্রমী হয়ে ওঠেছে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কালী বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
১৮৮৫ সালে স্থাপিত সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কালী বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আজ থেকে ২০ বছর পূর্বে অজো পাড়ায় অবস্থিত শতবর্ষের এই বিদ্যালয়ে ছাত্র খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত বেশ কিছু উদ্যোগের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা হয়েছে আনন্দদায়ক ফলে প্রতিদিন ছাত্র-ছাত্রীদের মুখরিত কলরবে আনন্দময় হয়ে উঠেছে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন। বর্তমানে এই স্কুলে পড়ালেখা করছে ৪০০শতের অধিক ছাত্রছাত্রী। বিদ্যালয়টিও হয়েছে এখন আধুনিক। শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য রয়েছে সকল ধরনের উপকরণ। তাই বাড়ির চাইতে বরং বিদ্যালয়ে অধিক সময় থাকতে পছন্দ করছে শিশুরা।
নৈতিকতা, পড়াশোনা, শিক্ষাদান, উপস্থিতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বিদ্যালয়টি।জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে অর্জন করছে একাধিক পুরস্কার।মেধাবিকাশের নানান কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার ফলে প্রাথমিক স্তরেই সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে এই সকল শিক্ষার্থীরা। প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তারা আগামীর স্বপ্ন বুনচে।
তবে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলেও বিদ্যালয়টিতে রয়েছে চরম শিক্ষক সংকট। মাত্র চার জন শিক্ষক দিয়ে ক্লাস পরিচালনা করা হয়ে উঠছে দুঃসাধ্য।সেইসাথে বিদ্যালয়ের অধিকাংশ ভবন পুরাতন হয়ে যাওয়ার কারণে রয়েছে অবকাঠামো সংকট। ভবনের অভাবে ঠিকমতো ক্লাস করতে পারেনা শিক্ষার্থীরা।
এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারহানা পারভীন বলেন এই উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি এখন অনেক বেশি উন্নত। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য সকল ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অবকাঠামো বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নতুন নিয়োগে হবে শিক্ষক সংকটের সমাধান।


















